ইহুদিরা কেন অভিশপ্ত

0
167

ফজলুর রহমান রাফাহঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদি রাষ্ট্রের জন্ম হয় এবং আস্তে আস্তে তারা জ্ঞান বিজ্ঞানে কিছু উন্নতি করতে থাকে। এটা যে কেউ চেষ্টা করলেই আল্লাহ তাদের দিয়ে দিবেন। আল্লাহ তাহালা কারো চেষ্টা শ্রম নষ্ট করেন না। যে যেই বিষয়েই চেষ্টা করে আল্লাহ তাদের কিছুটা হলেও দিয়ে দেন। মুসলমানদের জ্ঞান বিজ্ঞান কপি করেই তারা এগিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। অনেকেই মনে করে ইহুদিরা অনেক জ্ঞানী এটা ভুল। এক অভিশপ্ত জাতির নাম হচ্ছে ইহুদী। এই জাতির অভিশপ্ত হওয়ার কারণ তারা নবী-রাসূলদের সাথে বেয়াদবি করতো, এমনকি অনেক নবীকে শহীদ পর্যন্ত করতো।
ইহুদী জাতি লানতগ্রস্ত হওয়ায় তাদের জন্মাহার সব সময় ঋণাত্মক। তাদের জনসংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। তারা একেক যায়গায় একেক রকম বলে থাকে। কিন্তু প্রকৃত হিসেব সারা বিশ্বে এদের সংখ্যা এক থেকে দেড় কোটির মত হবে কিনা সন্দেহ। অধিকাংশ ইহুদী পুরুষ নপুংসক ও ধ্বজভঙ্গ হয়ে থাকে। অপকর্ম ও কুকীর্তি ইহুদিদের পরিণত করেছে আল্লাহর অভিশপ্ত জাতিতে। আল্লাহ তাআলা এ জন্য যুগে যুগে তাদের ওপর নাজিল করেছেন তাঁর আজাব। আর তারা বারবার আল্লাহর গজবের শিকার হয়ে লাঞ্ছিত হতে থাকে। এভাবে ক্রমাগত আক্রমণের শিকার হয়ে এরা বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিতে থাকে এবং পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু পৃথিবীর কোথাও এদের ঠাঁই হয়নি।
পৃথিবীর কোথাও তারা কোনো দিনও স্থায়ীভাবে বাস করতে পারেনি। মধ্যপ্রাচ্য তো বটেই, শুধু ইউরোপেই তারা ৪৭ বার বহিষ্কৃত হয়েছে! সময়ের পরিক্রমায় তারা সারা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এরা বরাবরই ইসলামের শত্রু।