সবুজ প্রকৃতির ‘মানসকন্যা’ হামহাম

স্টাফ রিপোর্টারঃহামহাম জলপ্রপাতের রুপ সৌন্দর্যের বর্ণনা শোনে আকৃষ্ট হন জেলা প্রশাসক। তাই ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিনের নেতৃত্বে এ জেলার পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষে অ্যাডভাঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের আর্কষণীয় পর্যটন স্পট হামহাম জলপ্রপাতটি পরিদর্শনে ছুটেন। সাথে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মল্লিকা দে, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এম এ হামিদ, সালেহ এলাহী কুটি সহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।হামহাম জলপ্রপাত যাওয়ার আগে চারদিকেই শুধু সবুজ ঘনবন আর নিস্তব্দতা। নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণি আর পাখপাখালির হাকডাক। কখন পাহাড়,কখন ছড়া নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে গা চমচমে পরিবেশ। সবুজ প্রকৃতির এ রাজ্যের রাজকন্যা হামহামের দেখা পেতে যাত্রা পথে চোখে পড়ে বনফুল ও ফল,নানা জাতের গাছ গাছালির সুবাস, বন্যপ্রাণি,পাখি ও ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। আর ছোট ছোট ঝর্ণা ও পিচ্ছিল পাথর ভর্তি স্রোতস্বী  ছড়া। আরো কত কি। এ যেন এক অন্যরকম আবেশ। অ্যাডভাঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের মুগ্ধ করতে সর্বদাই প্রস্তুত সবুজ প্রকৃতির ‘মানসকন্যা’ হামহাম।

গহীন অরণ্যের দুর্গম হামহাম জলপ্রপাত ১৫০ ফুট পাহাড়ের উপর হতে স্ফটিকের মত স্বচ্ছ পানি আছড়ে পড়ছে বড় বড় পাথরের গায়ে। হামহাম জলপ্রপাত কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টের কুরমা বনবিটের গহীন অরণ্যে। কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০কিঃমিঃ পূর্ব-দক্ষিণে। আয়তন ৭ হাজার ৯৭০ একর। এলাকার পশ্চিমদিকে চাম্পারায় চা বাগান, পূর্ব-দক্ষিণে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত। প্রায় ১০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পায়ে হেটে পৌঁছাতে হয় এই জল পরীর আঙ্গিনায়।