এক লাখ টাকায় টিনের পরিবর্তে সেমিপাকা ঘর পাচ্ছেন উপকারভোগীরা।

বাংলার দিন ডেস্কঃ  কিছু কিছু কাজ শুধু কাজ নয় এগুলো একেকটা স্বপ্নের বাস্তবায়ন। স্বপ্নগুলো নিজের নয় ! শুনতে আশ্চর্যের হলেও আমি নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করছি, একাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে। যদিও গত প্রায় দেড় বছর ধরে প্রতি নিয়ত কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে কাজ করে পরিবার পরিজন থেকে দূরে থেকেছি কিন্তু আজ এ স্বপ্ন যখন বাস্তব হয়ে ধরা দিয়েছে তখন সকল দুঃখ কষ্ট ভুলে গেছি।

মাত্র এক লাখ টাকায় টিনের পরিবর্তে সেমিপাকা ঘর পাচ্ছেন উপকারভোগীরা।অফিসে কর্মরত ড্রাইভার থেকে শুরু করে মালি এমনকি নাইট গার্ড পর্যন্ত এ প্রজেক্ট এ বিনা লাভে কাজ করেছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের এ ত্যাগ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের এ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখে আমি প্রতিটা মূহুর্তে অনুপ্রাণিত হয়েছি।

যখনি কোথাও কোন বাধা এসেছে তখনই তাদের দিকে তাকিয়ে দেখেছি। তাদের কঠিন মনোবল,তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আত্মত্যাগ আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস যুগিয়েছে প্রতি মুহূর্তে। আর এসবের জন্যই এতো অল্প বাজেটের মধ্যে আমরা পেরেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত নিজস্ব এ উদ্যোগকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে।

শুরু থেকেই একটি অতি চ্যালেঞ্জিং কাজে যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাস্তবায়নে অংশগ্রহনকারী সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজনগর এর ফেইসবুক স্ট্যাটাস থেকে সংগ্রহ