জুড়ীতে যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধু

জুড়ী  প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজারের জুড়ীতে যৌতুক লোভী এক স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গৃহবধু নাজমা আক্তার  (২২)।সে জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের দক্ষিন বড়ডহর গ্রামের মোঃমনু মিয়ার কন্যা।

তার স্বামী ফুলতলা ইউনিয়নের কোনাগঁও গ্রামের আব্দুল মালিক এর পুত্র কাতার প্রবাসী আব্দুল মুমিন (২৮)।তার প্রতিকার চেয়ে বিগত ২৬/ আগস্ট ২০১৯ ইং নির্যাতিতা নাজমা আক্তার বাদী হয়ে তার স্বামীকে প্রধান আসামী করে শ্বাশুরী সুফিয়া বেগম (৫৫) সহ দুই জনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সামলা নং ২৭১/২৯ দায়ের করেন।মামলার এজহার ও এলাকা বাসী সৃত্রে জানা গেছে,বিগত ২৮ জুলাই ২০১৫ ইং ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে রেজিস্টারি  নিকাহনামামুলে বিবাহ হয়।এরপর মুমিন নববধৃ নাজমাকে নিয়ে বাড়ীতে উঠে।
এবং বেশ কিছু  বছর তারা ঘর সংসার করে।ইতি পৃর্ব অনুমানিক  গত ৯ আগস্ট ২০১৯ ইং দেশে আসে মুমিন।

এরই এক পযায়ে মুমিনের মা সুফিয়া বেগম ছেলেকে,ইউরুপ কানাডা দেশে যাওয়ার জন্য নাজমার পিত্রালয় থেকে ৫ লাখ টাকা যৌতুক এনেদিতে তাকে চাপদেয় মুমিন তার স্ত্রী নাজমাকে যৌতুকের কথা জানালে,সে বলে আমার পিতা গরিব মানুষ এত টাকা আমার বাবার পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়।এরপর থেকে কারনে -অকারনে তারা নাজমার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরুকরে।
নাজমা বলেন আমার ছেলে তানিম (৩) এর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে স্বামী ও শ্বাশুরী এতসব নির্যাতন নিরবে সহ্য করে সংসার চালিয়ে যায় নাজমা।
অবশেষে বিগত সকাল ১০ টায় যৌতুকের টাকা এনে দিতে নাজমার স্বামী আব্দুল মুমিন ও শ্বাশুরী সুফিয়া বেগম পুনরায় চাপ প্রয়োগ করায় নাজমা তাতে অসম্মতি জানালে,তারা তখন ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমাকে শারীরিক নির্যাতনের পর গলা ধাক্কা দিয়ে বাড়ী থেকে বাহিরকরে দেয়।
এক কাপড়ে নাজমাকে ও শিশু সন্তান সহ তার বাবার দেওয়া বিবাহের মালামাল রেখে বাড়ী থেকে বাহির করিলে আমি নিরুপায় হয়ে বাবার বাড়ীতে চলে আসি।নাজমার বাবা মনু মিয়া জানান আমার মেয়েকে যারা নির্যাতন করেছে তাদের বিচার চাই।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে,
অভিযুক্ত মুমিন ও তার মা সুফিয়া বেগম তাদের উপর আণীত অভিযোগ অস্বীকার করে
বলেনএলাকায় আমাদের অনেক সুনাম রয়েছে।আমাদের এ সুনামে ঈর্ষাম্বিত হয়ে একটি কুচক্রীমহল আমাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে।উল্লখ আব্দুল মুমিন যৌতুক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামী।