একজন নিষ্ঠাবান নারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন

মোঃ আব্দুল কালাম,মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার জেলার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন পদোন্নতি পাওয়ায় তাকে অর্থ মন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক পদে পদায়ন করে গত বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়।আর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মীর নাহিদ আহসানকে মৌলবীবাজার জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।চায়ের দেশ খ্যাত পর্যটন সমৃদ্ধ জেলার সার্বিক উন্নয়ন কাজে গতিশীলতা ও ঘুষ এবং দুর্নীতিমুক্ত জেলা প্রশাসন গঠনে রেখেছেন সাফল্যের অনন্য নজির।মাদক সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন নাজিয়া শিরিন যার ফলে জেলায় মাদক ব্যবসায়ীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে নি। নাজিয়া শিরিন বাগেরহাট জেলার মেয়ে। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এর( ২০ তম ব্যাচের) একজন প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তা । জেলা প্রশাসক হিসেবে তার কর্মদক্ষতার স্বীয় গুনে অল্প দিনের মধ্যে মৌলভীবাজার জেলার সাধারন মানুষের মন জয় করেছেন তিনি।মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে তিনি ছিলেন আন্তরিক।পরম ধৈর্য্য ও নিষ্ঠার সাথে করোনায় ঘরবন্দি অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে দিনরাত কাজ করেছেন অবিরাম। চায়ের দেশ মৌলভীবাজারে রয়েছে দেশের ৯২টি চা-বাগান আর সম্প্রতি চা-শিল্প আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ না হওয়ার জন্য চা-বাগানে লকডাউনের নির্দেশ না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা-শ্রমিকদের কাজ অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।বিশেষ করে করোনা আতংকে সবাই যখন ঘরবন্দি তখন জীবনের মায়া তুচ্ছ করে সরকারের প্রতিটি নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও সার্বক্ষণিক  বাজার মনিটরিং,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারী  পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ধারা বাজার তদারকি অভিযান অব্যাহত রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।করোনায় ঘরবন্দি অসহায় তৃণমুল ভাসমান মানুষের মাঝে, চাল,ডাল আলু ও নগদ অর্থ  বিতরণ করেছেন ।

জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে নানা ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন।জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ স্থানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল স্থাপন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ উন্নয়নে সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে রাজনগরের ফতেহপুর ইউনিয়নের জলের গ্রাম অন্তেহরীতে ঘাটলা নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন ও জলের গ্রাম অন্তেহরীকে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা,হাওড় অঞ্চলের সাধারন অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন,হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থানসমুহকে পর্যটন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে জেলার সাধারন মানুষের মুখে মুখে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিলেন।