উন্নয়ন সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে কর্মধা : চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক

কর্মধা ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা                                                                                                           পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্তিপ্রিয়

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি ঃকুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমানের নানামুখি উদ্যোগ ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলে উন্নয়ন সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে কর্মধা । রাস্তাঘাট ব্রীজ,কার্লভাট,হাট বাজারের উন্নয়ন,গ্রাম আদালতে দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিচারিক কার্যক্রম নিষ্পত্তি,গরীব ও দরিদ্র কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের সার,বীজ প্রদান এবং অসহায় দরিদ্র দিনমজুর পরিবারের মাঝে আলোর বাতি সোলার বিতরণসহ নানামুখি উন্নয়ন কাজের অভাবনীয় সাফল্যের এক নতুন মাত্রা লাভ করেছে কর্মধা ইউনিয়নের সবকটি গ্রামাঞ্চলে।সবুজ শ্যামল,নানা বিটপীর অপূর্ব সৌন্দর্য আর পরিবেষ্টিত চা-বাগানগোলার মনোরম দৃষ্টিমন্ডিত প্রাকৃতিক রুপের মনোহর কর্মধা ইউনিয়নে রয়েছে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ ,রয়েছে গারো খাসিয়া,মনিপুরী,পাঙন উপজাতির বসবাস।এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আবাহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাহাড়ী ও টিলা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ফল চাষ,পান চাষ, ও ধান চাষাবাদ করে কৃষকরা স্ব”ছলভাবে তাদের জীবীকা নির্বাহ করে।
দরিদ্র কৃষকদের মাঝে কৃষি সার বিতরণ,কৃষকদের সুখে দুঃখে সবসময় কৃষকদের পাশে দাড়িয়েছেন চেযারম্যান এম এ রহমান আতিক।তিনি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের বহুমুখি উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। স্থানীয়রা বলছেন,বিগত ইউপি চেয়ারম্যান এর আমলে কর্মধা ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তুলনায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেকটাই স্বাভাবিক ও শান্তিপ্রিয়। প্রতিবছর গ্রামে গরু চুরি বৃদ্ধি,মাদকে সয়লাব,ডাকাতি খুন,ধর্ষণ,ইভটিজিং নারী নির্যাতন এর মাত্রা এখন আর আগের মত  নেই বললেই চলে।
জানা যায়,কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদে এম এ রহমান আতিক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে কয়েক শতাধিক দেওয়ানী ও ফৌজধারী মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।তাছাড়া কর্মধা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ৮ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হয়েছে,১৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে গ্রামের বিভিন্ন রাস্তার ইট সলিং এর কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।অনেক গোলো মাটির রাস্তা পুনঃ নির্মাণ করা হয়েছে।কর্মধা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ১৩টি ব্রীজ নির্মাণ ও এলজিইডির মাধ্যমে আরো ৪টি  ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে।হাটবাজারের উন্নয়ন এর ক্ষেত্রে তিনি কাঁঠালতলী বাজারে একটি মানসম্মত শেডঘর নির্মাণ করেছেন।হায়দরগঞ্জ বাজারের হাটবাজার উন্নয়নে সেখানেও শেডঘর নির্মাণ করেছেন।তাছাড়া কর্মধা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগের জন্য তিনি নিজের ব্যাক্তিগত মোবাইল নাম্বার ২৪ ঘন্টা সচল রেখেছেন।ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ৩টি দূর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করেছেন।ফানাই নদীকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত করার পেছনে রয়েছে চেয়ারম্যানের নিরলস প্রচেষ্টা আর অন্তহীন সাধনা।বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রতিবছর ১৫২ জন দরিদ্র লোককে ৩০ কেজি করে চাউল দেওয়া হ”েছ ভিজিডি সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে।প্রতিবছর অসহায় ১৪০০ জন বৃদ্ধরা বয়স্ক ভাতা পা”েছন,বিধবা ভাতা পা”েছন ৩০০ জন,গর্ভবতী ভাতা পাচ্ছেন ৭০ জনের অধিক,তাছাড়া হতদরিদ্র ৮০ জন লোক পাচ্ছেন সোলার।১২০০ জন নি¤œবিত্ত শ্রেনীর লোকদের দেওয়া হ”েছ ১০ টাকা কেজি দরের চাউল।প্রতিবছর প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন ১৫০ জন লোক।দায়িত্ব নেবার পর থেকে এম এ রহমান আতিক ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় নগদ অনুদান প্রদান করে  যা”েছন।প্রতিবছর চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দরিদ্র ৬৫০ টি পরিবারের মাঝে দেওয়া হ”েছ নগদ ৫৫০০ টাকা। নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরনে কালিটি চা বাগানে ৭২টি ও রাঙ্গিছড়া চা বাগানে ১৪টি টিউবওয়েল প্রদান করা হয়েছে।কর্মধা ইউনিয়নের ১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ বল্ক নির্মাণ করা হয়েছে।কর্মধার পূর্ব পাহাড়ের ৮০ হেক্টর সরকারি বনভুমি দখলমুক্ত করতে গিয়ে এম এ রহমান আতিক হামলা মামলা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তবুও তিনি এ অভিযান চলমান রেখেছেন।

চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক প্রতিবেদককে জানান কর্মধাবাসীর উন্নয়নে আমি নিরবে নিভৃত্তে কাজ করে যাচ্ছি।সাধারন মানুষের সুখে দুঃখে পাশে আছি পাশে থাকবো সবসময়।কর্মধা ইউনিয়ন উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে তিনি কর্মধা ইউনিয়নের উন্নয়ন কাজকে তরান্বিত করতে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।।